সোহম, জগা, শাহজাহান এবং আপনি
যশ চক্রবর্তী
(১)
সেই তুই-ও শেষে এখানে এলি জগা
মেরে চৌপাট করে দেবো শালা
এমন বলেছিস আমায়
ভুলেছিস দ্রুত নিয়মের ঠেলায়
হৃদপিন্ডের শিরায় শিরায় কিভাবে যেন
তোর কালো বুটের দাগ এখনো
যায়নি ধুয়ে অনবরত রক্তস্রোত ধারায়
মনে হয়তো থাকে তার আসলে মার যে খায়
দীর্ঘ শোধবোধের নেশায় মন কৌতুহলী
কলার চেপে তীক্ষ্ণ সংকেত ছুঁড়ে বলি
সময় এসেছে পাল্টাপাল্টি করে নেবার
চ জগা এবার
আমি জগা হই, তুই হ সোহম
(২)
এক্কেবারে অদ্ভুত - শাহজাহানের মৃত্যু হোলো
হাসপাতালে ছেলের নাম যে ঔরঙ্গজেব নয় জানা গেলো
বেঁচেও গেলো পাঁচতলা থেকে পড়ে
কিছুমাত্র হাড়গোড় ভেঙেচুরে
হাসপাতাল থেকে ফিরে
একদিন পরে
খাট থেকে পড়ে বেঘোরে
দুম করে মারা গেলে
বুড়ো বাপ জাহাঙ্গীর বলে
হাত ধরে আমায়
কবরখানায়
তুমি বাবা ভালো থেকো সোহম
(৩)
এমন ভাবে ফোনটা করলেন যেন আমি না গেলে
রসাতলে
যাবে সর্বস্ব | তাই যাবতীয় মুহূর্ত এক করে
বিমোহিত আমি এক লাফে এক দৌড়ে
এক্কেবারে আপনার বাড়ি
কতোবার কতোভাবে মুখোমুখি সেখানে সোজাসুজি আড়াআড়ি
গাদা ভিড়ে
আপনার এক চিলতে হাসিও যে পেলাম না কি করে
কিংবা এক টুকরো ভালোবাসা
শুধু সৌজন্যমূলক জিজ্ঞাসা
কি, কেমন আছেন সোহম?