দুই করতালু ভরে নিস্তব্ধতা তুলি রোজসেদিন ও আজরাত্রির-ও মুখ আছে মনে আছেবলেছিলে আমায়তাই চেয়ে আছি রোজযদি দেখি রাত্রির মুখ কোনদিনবলেছিলে আরো - রাত্রির মুখ নাকি ছুঁয়ে থাকে সে-মুখ তোমার কোনো কোনো দিন ছুঁয়ে নাকি থাকে কোনো কোনো দিন জেগে ওঠা তোমার নীরব মুখস্তব্ধতা ভাঙে আজঝুমুরের মৃদু শব্দের সাথে আসে অসংযমী কিছু ঘ্রাণভাবি অদৃশ্য নিছক গোপন সংজ্ঞায় রাত্রিকে নিয়ে সাথেআমার পেছনে এসে দাঁড়িয়েছো তুমিশিরশির তীর শিহরণ তাইমেরুদন্ডের পিচ্ছিল পথ বেয়ে নামে দ্রুতসম্ভাব্য আগুনের কথা মনে করিমোহান্ধ স্পর্শ পাই তোমারপৃথিবীর রাত্রি ছুঁয়েছে আমায়আমার শিথিল শরীর গা-ঘেঁষে দাঁড়িয়েছো জানিতোমার মেঘ রাত্রিমুখ জানি দীর্ঘদেহ বাঁকিয়েনামিয়েছে বর্নাঢ্য কৌশল ক্রীড়ায়তোমার ঘনশ্বাস আসন্ন ঝড়ের আভাসওলটপালট করে দেহগহ্বরের আরক্ত স্নাযুরসবোধহয় এখনি সময়ঝুমুরশব্দ শ্বাসঘ্রাণে ছন্দপতনের আগেইসহসা মুখ ঘোরাই পিঠের পেছনেআশাহত রাত্রিহীন তোমার মুখ যে আজওকাল পরশু অথবা তারও আগে রোজকার মতোতোমার শরীরে রোমবিন্দু খুঁজেতোমার মুখে তবে রাত্রি ছায়া কই?রাত্রিমুখ কবে পাবো বলো?