অন্ধকারে সাদা রঙ
যশ চক্রবর্তী
গুহাগহ্বর সরু হতে হতে আরও সরু হয়ে আসে
হামাগুড়ি দিতে থাকি প্রবল পাগলের মতো
এরপর কুমিরের মতো বুক ঘেঁষে যেতে হবে জানি
দমকা হিমেল হওয়া মুখ ছুঁয়ে যায়
শুকোয় মুখের ঘাম
ঘামহীন মুখে মুখোমুখি এবার
নিজেকে কেমন সেনাপতি মনে হয়
আসছে নিশ্চিত সবাই হামাগুড়ি দিয়ে আমার পেছনে
নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে তাই যুদ্ধ যুদ্ধ গন্ধ
অথচ অস্ত্র নেই কোনো হাতে
ভয় হয় তাতে - ঘামতে শুরু করি আবার
অদ্ভুতগতিতে হই গতিশুন্য অসাড়
পিছু হঠতে পেছন ফিরে তাকাই
কেউই আসেনি তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে আমার পেছনে
অসহায় নিধিরাম সর্দার - রনাঙ্গনে বেমানান মনে হয়
হৃদপিন্ডের শব্দে রণবাদ্যের ঘোর লাগে ঝিম ধরে
ভারাক্রান্ত মাথা নুইয়ে যায়, শরীরে গলন ধরে
এরপর, তারপর কিংবা আরও পরে
প্রানের কোনো এক কৌনিক বিন্দু থেকে
প্রানান্তকর শেষ চেষ্টায় চিত্কার করে উঠি
স্বপ্নভঙ্গ হয়, ভেজা শরীরে উঠে বসি, হাঁপাই
তীব্র কালো অন্ধকারে দেওয়ালের সাদা রঙ খুঁজি