হয়তো বা আগামীকাল
যশ চক্রবর্তী
পেছনে ডেকো না
গ্রীষ্মের দাবদাহে
গ'লে যাওয়া পিচের ওপর দিয়ে হেঁটে
আসবো আবার
হয়তো বা আগামীকাল
পুরোনো স্মৃতিগুলো
উড়ে আসে
ঝাঁকে ঝাঁকে
পঙ্গপালের মতোন
কোনোটা বা থাকে জেগে
সারা রাত
জোনাকির মতোন
কেনো লেখো চিঠি প্রতিরোজ
কেনো ডাকো বর্ষায়
কিংবা শরতের শিশির ভেজা ঘাসের গালিচায়
কেন হেমন্তের রোদেলা বিকেলে
হিন্দোল তোলো অপেক্ষার সমুদ্র সফেনে
শীতের সূর্য ডোবা সন্ধ্যায়
কেনো যাওনা ভুলে
কবে কোন জাহাজের মাস্তুলে
হারিয়ে গেছিলো দিকশূন্যপুরের ঠিকানা
কোনো এক বসন্তের রাতে
ঝরা পাতার সরসর শব্দ নিয়ে সাথে
তোমার দরজায় এসে দাঁড়াবো আমি
আলতো টোকায় শিকলের কড়ানাড়া
জাগাবে তোমায়
স্বপ্নের কোলাজ ভেঙে
আয়নার মুখোমুখি তুমি
কোথাও কি পাবে
আমার ফেলে আসা
তোমার গালে
তোমার বিছানায়
তোমার পাশবালিশে
আমার প্রতিচ্ছবি
গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে
ভিড়ে মিশে যেও
হাতের স্পর্শে জেনে নিও
স্পষ্ট অঙ্গীকার
তোমায় খুঁজতে
আসবো আবার
হয়তো বা আগামীকাল